• ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Donald Trump

বিদেশ

হরমুজ় খুলতে ইরানের শর্ত! ট্রাম্পের অস্বস্তি বাড়িয়ে নতুন সঙ্কট

শুরু হলে তার শেষও হয়, কিন্তু ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা এই সংঘাতের শেষ কোথায়, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদৌ এই যুদ্ধ থামবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। হরমুজ় প্রণালী ঘিরে জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে (Strait of Hormuz)।এই পরিস্থিতিতে ইরান জানিয়েছে, তারা হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলতে প্রস্তুত। তবে তার জন্য আমেরিকাকে তিনটি শর্ত মানতে হবে। জানা গিয়েছে, ইরান চাইছে তাদের বন্দরগুলির উপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া ইরান ও লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমান (Strait of Hormuz) ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকের সময় এই তিন দফা প্রস্তাব দেন এবং আলোচনা আবার শুরু করার উদ্যোগ নেন।অন্যদিকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রাম্প এবং তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দল এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন বলেই জানা গিয়েছে। যদিও ঠিক কোন কারণে আপত্তি, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প বারবার জানিয়েছেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যু বাদ দিয়ে কোনও চুক্তি সম্ভব নয়। যদিও এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, ইরানের দেওয়া তিনটি শর্তই মানতে রাজি নন ট্রাম্প। ফলে এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের উপর হামলায় কড়া প্রতিক্রিয়া মোদির! কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

ওয়াশিংটনের নৈশভোজে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও জায়গা নেই।শনিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে নৈশভোজ চলাকালীন আচমকা গুলি চালায় এক বন্দুকবাজ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে এক যুবক পরপর গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই ঘটনায় ট্রাম্প অক্ষত রয়েছেন। দ্রুত তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ অন্যান্যরা। ওই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার ছয়শো অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক, অভিনেতা-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন। নৈশভোজের পর ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই এই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায়।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ওয়াশিংটনের হোটেলে হামলার ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সকলেই সুস্থ রয়েছেন জেনে তিনি আশ্বস্ত। তাঁদের সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনাও করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে জানান, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই এবং এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা হওয়া উচিত।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হামলাকারী কে, কীভাবে তিনি কড়া নিরাপত্তা ভেঙে ভিতরে ঢুকলেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই হামলার পিছনে কোনও বড় যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনও যোগ নেই এবং এটি একক হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বিদেশ

নৈশভোজের মাঝেই গুলি! ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলা, চাঞ্চল্য বিশ্বজুড়ে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর উপস্থিতিতে নৈশভোজ চলাকালীন আচমকাই গুলির শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। ওয়াশিংটনের একটি হিলটন হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে চলছিল হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেই সময় হঠাৎ পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চলার খবর পাওয়া যায় ।ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। শনিবার রাতের এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক মার্কিন আধিকারিক। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স আনুমানিক একত্রিশ বছর এবং তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তাঁর মূল লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই ঘটনার পেছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং নিরাপত্তা বাহিনী ।ঘটনার কিছুক্ষণ পর নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই একই হোটেলে প্রায় চল্লিশ বছর আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান-এর উপর প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। সেই স্মৃতি ফের সামনে আসতেই নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও বন্দুকবাজ ভিতরে ঢুকল, তা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে! একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার গভীর রাতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। একই সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সেনার অবরোধ ও নজরদারি আগের মতোই চালু থাকবে।ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকারের মধ্যে বিভাজন রয়েছে এবং সেই পরিস্থিতিতে তারা এখনও কোনও ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দিতে পারেনি। তাই আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ স্থগিত রাখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূমিকাকেও তিনি প্রশংসা করেন। তবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ও ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন ও অবরোধ বজায় থাকবে এবং সেনাবাহিনী সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকবে।এই অবস্থায় হরমুজে আমেরিকার অবস্থান নিয়েই আপত্তি তুলেছে ইরান। তারা জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার শর্তে কোনও যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজি নয়। ইরানের সরকারি সূত্রে দাবি, এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা অর্থহীন হয়ে উঠছে।এর মধ্যেই দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইসলামাবাদে সেই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, ইরান এখনও সেখানে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দুটি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে আমেরিকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। তাদের অভিযোগ, আমেরিকার এই পদক্ষেপ যুদ্ধোন্মুখ আচরণ এবং জলদস্যুতার সমান। পাশাপাশি আমেরিকার শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইরান।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, ইরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং ইরান আলোচনায় অংশ নেবে কি না, তা জানার জন্য অপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি জারি থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

মিত্র দেশকেই আক্রমণ! মেলোনিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের একাধিক দেশ। সেই তালিকায় রয়েছে ইতালিও। আর এই বিষয়েই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি মেলোনিকে নিয়ে যা ভেবেছিলেন, বাস্তবে তিনি তেমন নন। তাঁর কথায়, মেলোনির সাহস রয়েছে বলে মনে করতেন, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনেকদিন ধরে মেলোনির সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি।হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইতালির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শক্তি খাতে ইতালির খরচ অনেক বেশি হলেও তারা এই ইস্যুতে সক্রিয় হতে চাইছে না। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইতালি চায় আমেরিকা একাই পরিস্থিতি সামলাক, কিন্তু তারা নিজেরা কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এমনকি যুদ্ধের সময় ইতালির তরফে কোনও সাহায্য পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অবস্থান ইতালির সাধারণ মানুষ মেনে নেবে কি না, সেটাও প্রশ্ন। ইরানের হুমকির প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, বিপদের সময়েও মেলোনির অবস্থান ঠিক নয়।প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। তেহরান-সহ একাধিক জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরান পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর। একাধিক দেশে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার খবর সামনে আসে।এখনও পুরোপুরি যুদ্ধ থামেনি। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে একঘরে হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প। আর সেই কারণেই মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধেও তিনি প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

শত্রু দেশের ভিতরে ঢুকে রুদ্ধশ্বাস অভিযান, নিখোঁজ পাইলটকে ফিরিয়ে আনল আমেরিকা

ইরানে ভেঙে পড়া একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নিয়ে টানটান উত্তেজনার অবসান হল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ভিতরে ঢুকে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ ওই অফিসার একজন কর্নেল পদমর্যাদার আধিকারিক এবং বর্তমানে তিনি নিরাপদে আছেন, যদিও সামান্য আহত হয়েছেন।ট্রাম্প আরও জানান, পাইলটকে উদ্ধারের জন্য পেন্টাগন সারাক্ষণ নজর রাখছিল এবং পরিকল্পনা করছিল। শেষ পর্যন্ত ইরানের আকাশে একাধিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে এই অভিযান সফল করা হয়। তাঁর দাবি, এই পুরো অভিযান অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং প্রতিটি পদে ঝুঁকি ছিল। তবুও কোনও ক্ষতি ছাড়াই তারা এই কাজ সম্পন্ন করেছে এবং ইরানের আকাশে নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়েছে।অন্যদিকে, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্তা বলেন, নিখোঁজ ওই পাইলট প্রায় দুদিন ধরে ইরানের নজর এড়িয়ে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। পরে তাঁকে খুঁজে পেয়ে উদ্ধার করা হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।উল্লেখ্য, শুক্রবার ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভেঙে দেয়। সেই ঘটনায় এই পাইলট নিখোঁজ হন। তাঁকে খুঁজতে গিয়ে দুটি হেলিকপ্টারও হামলার মুখে পড়ে, যদিও সেগুলি কোনওমতে ফিরে আসে। এরপর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই পাইলট ইরানের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীও। শেষ পর্যন্ত সেই পাইলটকে উদ্ধার করার দাবি করল আমেরিকা।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে সরাসরি না ইরানের! যুদ্ধবিরতি জল্পনায় বড় ধাক্কা

আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চাপের সামনে মাথা নত করতে নারাজ ইরান। যুদ্ধবিরতির জল্পনার মধ্যেই তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও নির্দেশ মানবে না। শুধু তাই নয়, আমেরিকার সঙ্গে কোনওরকম আলোচনায় বসার কথাও তারা একেবারে নাকচ করে দিয়েছে।ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাব তারা খতিয়ে দেখেছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমেরিকা বার্তা পাঠালেও তা আলোচনার সমতুল্য নয়।আরাঘচির কথায়, ইরান কখনও চাপের কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকার লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং যুদ্ধে জয়লাভ, কিন্তু সেই উদ্দেশ্য তারা পূরণ করতে পারেনি বলেই দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের শর্ত মানতেই হবে, না হলে সংঘাত চলতেই থাকবে।অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং ইরানের সরকার যুদ্ধ থামাতে চাইলেও দেশের মানুষের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তারা পিছিয়ে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ট্রাম্প একাধিক শর্ত দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এর পালটা জবাবে ইরানও নিজেদের শর্ত জানিয়েছে। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য আমেরিকাকে অর্থ দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম! প্রণালী না খুললেই ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রণালী সম্পূর্ণভাবে না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।শনিবার সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী খুলে না দিলে একে একে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ধ্বংস করা হবে এবং এই অভিযান শুরু হবে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র দিয়ে। এই হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে তারা বিশ্বজুড়ে চাপ তৈরি করবে। এর ফলে তেল এবং গ্যাসের সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গিয়েছে।এই দীর্ঘ সংঘর্ষে দুই পক্ষই ক্ষতির মুখে পড়েছে। একাধিক সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তেল শোধনাগার এবং জ্বালানির ভাণ্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। সেই প্রেক্ষিতেই এই কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের নতুন নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! “শান্তিতে বাঁচতে পারবেন না”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় না নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন। তবে উত্তেজনা বাড়লেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রয়েছে বলেই দাবি করেছে ওয়াশিংটন।আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেও খুশি নন। এরপরই কড়া সুরে মন্তব্য করেন যে নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন বলে তাঁর মনে হয় না।এর আগেই তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। তাঁর কথায়, ইরানের ভেতরে আরও বড় আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এবার আরও বেশি যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান ব্যবহার করা হবে। গোয়েন্দা তথ্যও আগের চেয়ে আরও নির্ভুল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ইরান খুব কম সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আমেরিকার পদক্ষেপের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে কয়েক দিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে বড় সাফল্য মিলেছে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই আরেক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুদ্ধ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এই মন্তব্য ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখনও থামেনি। বরং নতুন করে বড় হামলার সতর্কবার্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতে প্রথম দিকে ইরান মূলত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকাও। ইজরায়েলের হামলায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে এবং তেলের বাজারেও। যুদ্ধ আর কত দিন চলবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, স্পেনের সঙ্গে সব বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা!

ইরানকে ঘিরে চলা সামরিক অভিযানের মধ্যে বড় কূটনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি জানান, স্পেন যদি আমেরিকার সেনাবাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেয়, তবে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, স্পেনের আচরণ অত্যন্ত খারাপ। তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে নির্দেশ দিয়েছেন, স্পেনের সঙ্গে সব লেনদেন বন্ধ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে। অর্থমন্ত্রীও প্রেসিডেন্টের এই অবস্থানকে সমর্থন করেন এবং জানান, প্রয়োজন হলে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে।এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ স্পেনের রোটা ও মোরোন সামরিক ঘাঁটি থেকে আমেরিকা তাদের অন্তত পনেরোটি বিমান সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে ছিল জ্বালানি ভরার ট্যাঙ্কার বিমানও। স্পেনের সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্ব জানিয়ে দেয়, ইরানের উপর হামলার মতো অভিযানে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। স্পেনের বিদেশমন্ত্রী হোসে মানুয়েল আলবারেস বলেন, এই সামরিক অভিযান তাদের সঙ্গে করা চুক্তির আওতায় পড়ে না এবং তা জাতিসংঘ সনদের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়।মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত ইতিমধ্যেই ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ সামরিক ও রাজনৈতিক মহলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পরেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় উপসাগরীয় একাধিক দেশে, যেখানে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। কাতার, কুয়েত ও বাহরিনে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর মিলেছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব ও ওমানেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সংকটে ইতিমধ্যেই পাঁচশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। নিহতদের মধ্যে ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির উপর।স্পেনকে ঘিরে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কূটনৈতিক টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘এবার আঘাত এলে নজিরবিহীন জবাব দেবে আমেরিকা’

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ইরান যদি আরও বড় আঘাত হানে, তা হলে আমেরিকা এমন জবাব দেবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ইরান যদি হুমকি মতো খুব বড় আক্রমণ চালায়, তা হলে আমেরিকার পাল্টা আঘাত হবে নজিরবিহীন।এই হুঁশিয়ারির আগে ইরান জানিয়েছিল, ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই এই ঘোষণা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানায়, খুব শিগগিরই বড় আকারের অভিযান শুরু হবে।রবিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন জানায়, ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের নেগেভ ও ডেড সি অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। তেল আবিবে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।ইরানের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডই বড় গণআন্দোলনের সূচনা করবে। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমও জানিয়েছে, তেহরানে নিজের বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনেইয়ের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।হামলায় খামেনেইয়ের পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ ও জামাই। পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরও নিহত হয়েছেন বলে খবর।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন সবার নজর, পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয় ইরান ও আমেরিকা।

মার্চ ০১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal